খ ম জুলফিকার, মৌলভীবাজার থেকে::
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত সিলেটের দিনগুলো আজো আমাদের হৃদয়ে ভাস্বর। কবির সিলেট আগমনের শতবার্ষিকী উদযাপনকে সামনে রেখে আজ ১ জুন ২০২৬ (সোমবার) সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকায় জালালাবাদ ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয় (মোস্তফাপুর)-এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জালালাবাদ ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি লেখক ও গবেষক সৈয়দ কামাল আহমদ বাবুর সভাপতিত্বে ও বায়েজিদ মাহমুদ ফয়সালের সঞ্চলনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের আহবায়ক ছড়াকার শাহাদাৎ বখত শাহেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব শিক্ষাবিদ ফাতির আহমদ এবং সদস্য-১ বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদী। এছাড়া কবির স্মৃতিচারণ ও শতবার্ষিকীর তাৎপর্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন শতবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের সদস্য-২ গবেষক ও প্রকাশক বায়েজীদ মাহমুদ ফয়সল এবং সদস্য-৩ নাগরীলিপির গবেষক মফিক মোহাম্মদ। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন লেখক ও ছড়াকার আবদাল মাহবুব কোরেশী, জালালাবাদ ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক খিজির মোহাম্মদ জুলফিকার, প্রচার সম্পাদক দেওয়ান মুনাকিব চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরশের আহমেদ মুন্না, সৈয়দ শাহীন মিয়া, মোহাম্মদ মহসিন খান, এবং মোহাম্মদ জহির খান প্রমুখ।
সর্বসম্মতিক্রমে সৈয়দ কামাল আহমেদ বাবুকে আহবায়ক এবং আবদাল মাহবুব কোরেশীকে সদস্য সচিব করে জাতীয় কবি আগমন উদযাপন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটির সম্মানিত সদস্যরা হলেন— খিজির মুহাম্মদ জুলফিকার, দেওয়ান মুনাকিব চৌধুরী, মোহাম্মদ মহসিন খান, মোর্শেদ আহমেদ মুন্না, সৈয়দ শাহীন মিয়া এবং মোহাম্মদ জহির খান।
কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সৃষ্টি এবং সিলেট অঞ্চলের সাথে তাঁর নিবিড় সংযোগের নানা দিক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে সভাটি সফলভাবে শেষ হয়। অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে উপস্থিত সবাইকে সভাপতি সৈয়দ কামাল আহমেদ বাবুর পক্ষ থেকে আপ্যায়িত করা হয়। আসছে অক্টোবরে জাতীয় কবির আগমনের শতবার্ষিকীর উদ্যোগ নজরুল চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত সকলে।


